নিউজ শেয়ার দেওয়ায় যুবকের উপর সন্ত্রাসী হামলা, সুদখোর মিজানের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

নিউজ শেয়ার দেওয়ায় যুবকের উপর সন্ত্রাসী হামলা, সুদখোর মিজানের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

আগস্ট ২০ ২০২৩, ১০:৩৩

শার্শা উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নের গোড়পাড়া গ্রামের সুদ কারবারি মিজানুর রহমান মিজানের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় এবং সেই সংবাদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শেয়ার দেওয়াকে কেন্দ্র করে একই গ্রামের সদর আলীর পুত্র আশারাফুল আলমে এর উপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে মিজান গং এর পরিবার।

১৯ই আগষ্ট শনিবার রাত ১০ ঘটিকায় উক্ত সন্ত্রাসী হামলার ঘটনাটি ঘটে। এ সন্ত্রাসী হামলার পর শার্শা থানায় বাদী হয়ে আশারাফুল আলম একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ মারফত জানা যায়, ১৫ই আগষ্ট যশোর থেকে প্রকাশিত দৈনিক গ্রামের কন্ঠ পত্রিকায় “সুদ ব্যবসায়ি মিজানের ফাঁদে পড়ে নিঃস্ব গোড়পাড়ার বহু পরিবার” এই শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয় উক্ত সংবাদটি আমি আমার ফেসবুকে শেয়ার করি। তারই জের ধরে ১৯ই আগষ্ট রাত ১০ টায় গোড়পাড়া বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে মিজানের বাড়ির সামনে পৌছাইলে, আগে থেকে ওৎ পেতে বসে থাকে মিজান তার ভাই আমিনুর, মহিনুর এবং তার ছেলে হাসান সকলে আমার সামনে এসে আমার গতিরোধ করে। তারপর আমি কেন নিউজ শেয়ার দিয়েছি তার কারণে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। আমি এর প্রতিবাদ করলে তাদের হাতে থাকা লাঠিসোঁটা দিয়ে আমাকে এলোপাতাড়ি পিটাইতে থাকে, এসময় আমার চিৎকার চেচামেচিতে কয়েকজন এগিয়ে আসলে মিজান গং পরিবার আমাকে সহ যারা এই নিউজ করেছে তাদের সকলকে হত্যার হুমকি দিয়ে বাড়ি চলে যায়।
তারপর কয়েকজন আমাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

মিজানুর রহমান মিজান সম্পর্কে খোজ নিয়ে জানা যায়, মিজান এবং তার পরিবার সন্ত্রাসী প্রকৃতির মানুষ। মিজান নাপিত থেকে সুদে ব্যবসায় এসে এলাকায় টাকা লাগিয়ে রাতারাতি আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়ে গেছে। এছাড়াও টাকা পয়সা দিয়ে নেতা ম্যানেজ করে ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি হওয়ায় এখন আর কাউকে তোয়াক্কা করেননা। তার এসকল কর্মকাণ্ডের কারণে তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে সাহস পাইনা।

মিজানুর রহমান মিজানের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি হামলার বিষয়ে বলেন, আমরা তাকে বাড়িতে ডেকে নিউজের বিষয়ে জিজ্ঞেস করি তখন তাকে ২/১ টা চর থাপ্পড় মেরেছি আর ধস্তাধস্তিতে তার শরীরে একটু নখের আচর লেগেছে। সুদের ব্যবসা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে বলেন আমি তিন মাস আগেও এ ব্যবসা করতাম তবে এখন আর করিনা।

অভিযোগ প্রাপ্তির কথা নিশ্চিত করে শার্শা থানার ওসি এস এম আকিকুল ইসলাম বলেন, আমি অভিযোগটি আমার গোড়পাড়া পুলিশ ফাঁড়িতে ফরোয়ার্ড করছি এবং অভিযোগটি তদন্ত পূর্বক অতি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেছি।